যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্য্য ও লাখো ভক্তের উপস্থিতিতে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে উপমহাদেশের প্রখ্যাত অলীয়ে কামেল, আধ্যাত্মিক সাধক, গাউছুল আজম শাহসূফি সৈয়দ গোলামুর রহমান (কঃ) মাইজভান্ডারীর প্রকাশ- বাবা ভান্ডারীর ১৬৩তম খোজরোজ শরীফ মঙ্গলবার (১৪অক্টোবর) চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মাইজভান্ডার দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হয়েছে ।
ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের সকল উম্মাহর সুখ, শান্তি কামনা করে আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন গাউছিয়া রহমান মঞ্জিলে সাজ্জাদানশীন শাহ ছূফি মাওলানা ছৈয়দ মুজিবুল বশর আল-হাছানী আল-মাইজভান্ডারী (ম:জি:আ:)। এসময় উপস্থিত ছিলেন নায়েবে সাজ্জাদানশীন শাহজাদা ছৈয়দ নুরুল বশর মাইজভান্ডারী। এর আগে খোজরোজ শরীফ উপলক্ষে আশেকানে মাইজভাণ্ডারী এসোসিয়েশনের উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্যে ছিল খতমে কুরআন, খতমে গাউছিয়া শরীফ, রওজায় গিলাফ চড়ানা,পুস্পস্তবক অর্পন, বাবা ভান্ডারী জীবন দর্শন’র ওপর আলাচনা, ওয়াজ-মিলাদ, আখেরী মুনাজাত।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেশের বিভিন প্রান্ত হতে লাখো আশেকান মাইজভান্ডারী ভক্তবৃদ বিভিন্ন যানবাহন যোগে মাইজভান্ডার দরবার শরীফে এসেছিলেন । নাজিরহাট হতে মাইজভান্ডার পর্যন্ত ৪কিলামিটার সড়কের এক পাশ্বে ভক্তদের নিয়ে আসা গাড়ি রাখা হয়েছে । এছাড়া চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি মহাসড়কের নাজিরহাট অংশে এক পাশে গাড়ি রাখার দৃশ্যও দেখা গেছে। খোজরোশ শরীফে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রট ও উপজেলা প্রশাসন, থানা পুলিশ, গাউছিয়া রহমান মঞ্জিলে স্বেচ্ছা সেবকসহ বিভিন্ন মঞ্জিলের স্বেচ্ছাসেবকরা আইন শৃংখলা রক্ষার্থে দায়িত্ব পালন করে। এছাড়া ভক্তবৃন্দরা মনের ভাসনা পূরণে মাজার জিয়ারতসহ সারিবদ্ধ দাড়িয়ে সাজ্জাদানশীনের সাথে সাক্ষাৎ করতে দেখা যায়।


