অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন আজ বহুল প্রতীক্ষিত হাটহাজারী মডেল মসজিদ ও ইসলামি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কর্মজজ্ঞ উদ্বোধন করেছেন।
চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভার কড়িয়ার দিঘির পাড়ে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি রোড সংলগ্ন এলাকায় আজ শুক্রবার (৪ জুলাই) সকাল ১১টায় মডেল মসজিদের উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন_ ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আব্দুল আউয়াল হাওলাদার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আব্দুছ সালাম খান ও প্রকল্প পরিচালক শহিদুল আলম, উপ-প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ ফেরদৌস-উজ-জামান এবং হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম মশিউজ্জামান।
সংক্ষিপ্ত আলোচনায় এসময় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেন- আমরা মসজিদ করে দিচ্ছি স্থানীয়দের কাজ হলো মসজিদকে আবাদ করা। যত মসজিদ হবে, তত বেশি নামাজী বাড়বে। বেশি নামাজী বাড়লে সমাজ থেকে ফাহেসা, শিরক বিদয়াতসহ অপকালচার কমে যাবে।
স্থানীয়দের মধ্যে এসময় উপস্থিত ছিলেন, হাটহাজারী মাদরাসার মুহতামিম মুফতি খলিল আহমদ কাসেমী, সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা শেখ আহমদ, মাওলানা শোয়াইব জমিরী ও মুফতি জসিম উদ্দিন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হাটহাজারী উপজেলা আমির ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ হাটহাজারী উপজেলা কমিটির আহবায়ক মাওলানা মতিউল্লাহ নূরীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং হাটহাজারী সমাচার পরিবারের উপদেষ্টা, সিনিয়র সাংবাদিক এস এম জামাল উদ্দিন, হাটহাজারী প্রেসক্লাব সভাপতি বাবু কেশব কুমার বড়ুয়া প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, জেলা ও উপজেলায় একটি করে ৫৬০ টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্পের প্রত্যেকটি মডেল মসজিদে ব্যয় হবে ১১কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা করে। ৩ তলা বিশিষ্ট এসব মডেল মসজিদে থাকবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অফিস, উপজেলা ইমাম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা, ১২শত মুসল্লির একযোগে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা, ইমাম-মোয়াজ্জিন থাকার ব্যবস্থা, মুর্দা গোসলের স্থান, গ্রন্থাগার, হজ বুকিং ব্যবস্থা, সুবিশাল পার্কিং।


