সর্বশেষ

পূর্বশত্রুতার জেরে বাঁশখালীতে সশস্ত্র হামলা, নারীসহ ৫ জন গুরুতর আহত

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সংঘটিত সশস্ত্র হামলায় নারীসহ অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার সরল ইউনিয়নের পশ্চিম কাহারঘোনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- কাহারঘোনা এলাকার মাহমুদুল হকের ছেলে মোহাম্মদ আবদুল মঈন (৪০) এবং কন্যা তাহুরা আক্তার (৩২), সিরাজুল হকের ছেলে মোহাম্মদ ইসহাক (৪০), মোহাম্মদ ইলিয়াস (৪৩), কন্যা জিয়াসমিন আক্তার (৩১)।
আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোহাম্মদ ইসহাকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। অন্য আহতরা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী আবদুল মুঈন (৪০) এ ঘটনায় বাদী হয়ে বাঁশখালী থানায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, কাহারঘোনা এলাকার মনজুর আহমদের ছেলে দিদারুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মিজানের সঙ্গে আবদুল মুঈনদের দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও মামলা চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে প্রতিপক্ষের লোকজন মোহাম্মদ ইসহাকের গতিরোধ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাকে রক্ষা করতে স্বজনরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদের ওপরও হামলা চালায়। আহতদের অভিযোগ, হামলাকারীরা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাদের হুমকি ও হয়রানি করে আসছিল।
বাদী আবদুল মুঈনের দাবি, দা, লোহার রড ও লাঠি দিয়ে পরিকল্পিতভাবে তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি কান ও মাথায় গুরুতর আহত হন।
হামলার সময় আহতদের উদ্ধার করতে এগিয়ে আসা কয়েকজন সাক্ষীও মারধরের শিকার হন। এ ঘটনায় এক নারীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগও উঠেছে।
এ বিষয়ে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘সরল ইউনিয়নের কাহারঘোনা এলাকায় হামলার ঘটনার বিষয়ে অবগত হয়েছি। তবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনার তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
spot_img
spot_img

সর্বশেষ

সময়ের সেরা