বন্দর নগরীর ২৩নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নিয়াজ মোহাম্মদ খান বলেছেন,মাদক ব্যবসায়ীরা আড়লে থেকে কিছু কিশোর গ্যাংকে ব্যবহার করে দিনের পর দিন অত্র এলাকায় অশান্তি তৈরি করছে। আমাদের অর্থমন্ত্রী বলেছেন,অপরাধী যে-ই হোক,সে যদি আমাদের দলেরও হয় অন্যায় করলে তাকে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের আওতায় শাস্তি দেওয়া হবে।
শুক্রবার ২৪ এপ্রিল আইন-শৃঙ্খলার অবনতি,মাদক দ্রব্য,ইভটিজিং ও বহিরাগত অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পাঠানটুলী বংশালপাড়াস্থ আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন কমিটির উদ্যোগে মাদক বিরোধী এক সম্মিলিত মতবিনিময় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন,এই সম্মিলিত সভায় কেউ যেন ঢুকে বিশৃঙ্খলা না করতে পারে বা অভিযুক্ত আছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।তাছাড়া অবিভাবক যারা আছেন,আপনাদের খেয়াল রাখতে হবে আপনার ছেলে কার সাথে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে সেদিকে নজর দিতে হবে।এই মাদকের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে হলে আমাদের পুলিশ প্রশাসনকেও সহযোগিতা করতে হবে।আমরা যদি এক হই ইনশাআল্লাহ এখানে কোনো ইয়াবা ব্যবসায়ী থাকতে পারবে না।’
ডবলমুরিং থানার অফিসার্স ইনচার্জ ওসি মোঃ জামাউদ্দিন খান বলেন, ‘অত্র থানায় বেশ কিছু মাদক অভিযান পরিচালনা করেছি এবং আমরা সফলও হয়েছি। আপনাদের এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল। এরা ছোট ছোট বাচ্চাদের কাছে মাদক দিয়ে ওরা আড়ালে বসে থাকে। ওরা নিজেরা কেউ মাদক বিক্রি করে না। ছোট বাচ্চাদের দিয়ে মাদক বিক্রি করাচ্ছে এবং মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে অত্যন্ত বেগ পেতে হচ্ছে আমাদের। সবার কাছে আমার অনুরোধ আমি আমি সবসময় আছি এবং ফোন রিসিভ করি,সে যেই হোক। আমাকে সবসময় পাশে পাবেন এবং আমার টিমকেও পাবেন।তিনি বলেন,‘সিটি কর্পোরেশন থেকে আমাকে ৯২টি ক্যামেরা দেওয়া হয়েছে। এই মাদক তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে এই এলাকাটি সিসিটিভি ক্যামেরা আওতায় নিয়ে আসা হবে।
সিএন্ডএফ এসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম সাইফুল আলম বলেন, সমাজের সাধু-সাধু কিছু মানুষ আছে তারাই কিশোর গ্যাংয়ের হোতা।আমাদের পুরো ওয়ার্ডে কোথায় বেআইনি কার্যক্রম হচ্ছে, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা হচ্ছে,মাদকের আড্ডা হচ্ছে, মাদক বিক্রি করা হচ্ছে এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করতে হবে।আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ‘জিরো টলারেন্স’ এর কথা বলেছেন।আমাদের পক্ষ থেকে কেউ মদক ব্যবসায়ীকে সহযোগিতা করলে তাকে চিরতরে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে,এটা আমাদের সিদ্ধান্ত। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম দক্ষিণের উপপরিদর্শক মোঃ রবিউল্ল্যা, সিটিএসবি’র এএসআই হেলাল উদ্দিন, মোঃ মনিরুজ্জামান, ২৩ নং উত্তর পাঠানটুলী ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর হাজী এস এম জাফর, নগর বিএনপি নেতা হাজী আবদুল করিম।
আয়োজিত সচেতনতা সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মোঃ মোজাহের খান, মোঃ আবদুল মান্নান, সুফী মোঃ ইব্রাহীম,মোঃ নাসির খান, মোঃ জাকির খান,আবদুল করিম সেলিম, মোঃ জাহিদুল আজীম পাবেল, মোঃ হাসান টিপু, মোঃ রাশেদুল আজীম, আলমগীর খান, মোঃ আনোয়ার সর্দার, মোঃ আনোয়ার খান, মোঃ সেলিম এলাহী, মোঃ শাহআলম সর্দার, মোঃ আলী, মোঃ আনোয়ার বেগ, আলী হোসেন বাবুর্চি, মোঃ বাবুল সত্ত, আইয়ুব খান, আশরাফ আলী, জাফর বেগ, আজমল খান, হাসান আলী ববী, মোঃ সুমন খান,এডভোকেট মোঃ ইকবাল হোসেন, মোঃ ইকবাল, মোঃ আজাদ খান রুবেল, মোঃ ফরিদ বেগ, মোঃ তাহসীন এবং আলভী সহ প্রমূখ।


