দেশে আবারও বাড়তে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশেও। এতে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মাঝে।
গত ৫ জুন দেশে করোনায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষাকৃত ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে এবং একই সময়ে ৬ জন করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন। দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লাখ ৫১ হাজার ৭৪২ জন। সুস্থ হয়েছেন ২০ লাখ ১৯ হাজার ৩৬৩ জন এবং মারা গেছেন ২৯ হাজার ৫০০ জন।
ঈদের ছুটি শেষে দেশে ফিরতি মানুষের ভিড় বাড়ায় জনসমাগমপূর্ণ পরিবেশে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে যাত্রীদের জন্য সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষত ট্রেনযাত্রায় সবাইকে মাস্ক পরতে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের ভিড় এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
এদিকে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্কতা জোরদার করেছে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্যানার বসিয়ে আগত যাত্রীদের শরীরের তাপমাত্রা মাপা হচ্ছে। হেলথ স্ক্রিনিং ইকুইপমেন্ট, স্বাস্থ্য ডেস্কে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। যাত্রীদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে মাস্ক ও গ্লাভস সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিমানবন্দর জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোঃ ইব্রাহীম খলিল জানান, করোনার নতুন করে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগাম প্রস্তুতি হিসেবে এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জনসচেতনতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তাই সবার উচিত আবারও সচেতন হওয়া এবং আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে যথাযথ সতর্কতা মেনে চলা।


