জলবায়ু পরিবর্তন বিদ্যমান সামাজিক ও লিঙ্গ বৈষম্যকে আরও তীব্র করে তুলছে। বাংলাদেশের নীতিমালা উদাহরণযোগ্য হলেও বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা এবং সামাজিক প্রতিবন্ধকতা নারীদের অংশগ্রহণকে সীমিত করছে। জেন্ডার-দায়বদ্ধ জলবায়ু শাসন, কমিউনিটি নেতৃত্বাধীন অভিযোজন এবং নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত জলবায়ু কার্যক্রম সম্ভব নয়। আজ ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে জাতীয় পর্যায়ের নাগরিক সংগঠন ওয়েভ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘জলবায়ু নীতি, অভিযোজন ও প্রশমন কৌশল: জেন্ডার দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে পর্যালোচনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা একথা বলেন। উল্লেখ্য, ওয়েভ ফাউন্ডেশন ১৯৯০ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং সর্বজনীন মানবাধিকার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বহুমুখী কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি ইস্যুভিত্তিক পলিসি এডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ ধারাবাহিকতায় সুইজারল্যান্ড ও কানাডা-এর আর্থিক সহায়তায় এবং জিএফএ কনসালটিং গ্রæপের কারিগরি সহায়তায় ‘নাগরিকতা’ কর্মসূচির অধীনে ওয়েভ ফাউন্ডেশন কনসোর্টিয়াম পার্টনার এনএসএস, জাগোনারী, ডাসকো ফাউন্ডেশন ও বিএসডিও-এর মাধ্যমে বরিশাল ও রাজশাহী বিভাগের ৫টি জেলা যথাক্রমে বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, রাজশাহী ও নওগাঁর ১৫টি উপজেলা ও ৯০টি ইউনিয়নে ডিসেম্বর ২০২৪-জুন ২০২৭ মেয়াদে ‘জেন্ডার ইকুয়ালিটি ট্রান্সফর্মস ক্লাইমেট অ্যাকশন’ (গেটকা) প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে কর্মএলাকার নারী, যুবসমাজ, স্থানীয় ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকারসহ প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর, প্রতিনিধিত্ব, স্বীকৃতি ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রকল্প কর্মএলাকায় ‘জলবায়ু নীতি, অভিযোজন ও প্রশমন কৌশল: জেন্ডার দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে পর্যালোচনা’ শীর্ষক একটি গবেষণা পরিচালনা করা হয়েছে। গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তথ্য, বিশ্লেষণ এবং সুপারিশসমূহ জাতীয় পর্যায়ে নীতি-নির্ধারক ও অংশীজনদের সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে আজ এই ‘মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট (বিসিসিটি) এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) গাজী মোঃ ওয়ালি-উল-হক। সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নারী বিষয়ক কমিশনের প্রধান ও নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শিরিন পারভিন হক, রায়হান উদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট, ইডকল, গওহার নঈম ওয়ারা, সদস্য সচিব, ফাউন্ডেশন ফর ডিজাস্টার ফোরাম, ড. সানজিদা আখতার, অধ্যাপক, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যাথরিনা কোনিগ, ডেপুটি টিম লিডার, নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড, আজিজা আসফিন, ফান্ড ম্যানেজমেন্ট এক্সপার্ট, নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ড, রাবেয়া রওশন, জেন্ডার অ্যান্ড সোশ্যাল ইনক্লুশান স্পেশালিস্ট, বাংলা এসএইচইপি প্রজেক্ট, জাইকা, ইরফাত আরা ইভা, এডিবি কনসালটেন্ট, জিইএসআই ইএক্সপিইআরআর, ঢাকা সাউথ সিটি করপোরেশন সেফটি নেট প্রোগ্রাম, নাহিদ শারমিন, জেন্ডার এনালিস্ট, এসপায়ার টু ইনোভেটিভ প্রোগ্রাম, ইউএনডিপি-বাংলাদেশ, লাবিব তাজওয়ান উৎসব, কান্ট্রি ডিরেক্টর, বাংলাদেশ ব্রেমেন ওভারসিজ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন প্রমুখ। এতে গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আব্দুল ওহাব এবং সঞ্চালনা করেন ওয়েভ ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক কানিজ ফাতেমা। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে গাজী মোঃ ওয়ালি-উল-হক বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলের নারীরা অন্য যে কোন স্থানের চেয়ে বেশি নাজুক অবস্থায় খাকে। দুযোর্গের কারণে টেকসই জীবন-জীবিকা গড়ে তোলা তাদের জন্য খুব কঠিন। যা তাদের পরিবারকে আরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। বাংলাদেশের মতো দুর্যোগপ্রবণ দেশে নারীর আর্থিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা গেলে অনেকক্ষেত্রেই অভিঘাত মোকাবেলা সম্ভব। একইসাথে জলবায়ু অভিঘাত মোকাবেলায় কৃষকদের বিভিন্ন ধরনের আর্থিক প্রণোদনা, জলবায়ু সহনশীল কৃষি বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান, কৃষি উপকরণ বিতরণসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় বিশেষ প্রয়োজন। এছাড়া শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যতের দিকেও আমাদের নজর দিতে হবে, যা একমাত্র সম্ভব বাংলাদেশকে একটি জলবায়ু সহনশীল দেশ গঠনের মাধ্যমে। সম্মানীয় অতিথির বক্তব্যে নাগরিকতা: সিভিক এনগেজমেন্ট ফান্ডের ডেপুটি টিম লিডার ক্যাথরিনা কোনিগ বলেন, জলবায়ু অভিঘাত মোকাবেলায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ থাকলেও সেগুলো ভিন্ন ভিন্নভাবে পরিচালিত হয়। ভাল ফলাফল পেতে উদ্যোগগুলো একটি ফ্রেমে আনা এবং বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় খুবই প্রয়োজন। এছাড়া জলবায়ু অভিঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের অভিযোজনের জন্য তাদের স্বাস্থের পাশাপাশি জীবন-জীবিকার দায়ীত্বশীলতার উপর বিশেষ নজর দেয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশে এ সম্পর্কিত বিভিন্ন নীতি বা আইন থাকলেও এগুলোর কার্যকারিতা কম। এ সকল নীতি বা আইন পর্যালোচনার মাধ্যমে গ্যাপসমূহ চিহ্নিত করে আরও জেন্ডার সহনশীল করে যথাযথ বাস্তবায়ন করতে পারলে ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে। সম্মানীয় অতিথির বক্তব্যে ফাউন্ডেশন ফর ডিজাস্টার ফোরামের সদস্য সচিব গওহার নঈম ওয়ারা বলেন, যে কোন ধরনের দুর্যোগে নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বয়স, ধর্মান্দ-কাল ভেদে নারীদের অবস্থা আরও নাজুক। দুর্যোগকালীন সময়ে নারীদের নিরাপত্তা প্রদানের লক্ষ্যে তাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করা খুব জরুরী। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হলে তাদের পরিবারও নিরাপদ থাকে এবং খাদ্যের নিরাপত্তাও অনেকটা নিশ্চিত হয়। যেমন: কৃষিকাজের সাথে নারীরা যুক্ত থাকলেও আর্থিকভাবে বেশি লাভবান হয় পুরুষরা। এ বিষয়গুলো মাথায় রেখে জলবায়ু অভিঘাত মোকাবেলায় নারীদের স্থায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা জরুরী। সম্মানীয় অতিথির বক্তব্যে নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান এবং নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বিশিষ্ট নারীনেত্রী শিরীন পারভিন হক বলেন, দুযোর্গকালীন সময়ে নারীদের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ ঝুঁকি তৈরি হয়। যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের জন্যেও সমস্যা সৃষ্টি করে। ভবিষ্যতে একটি সুস্থ ও সুন্দর প্রজন্ম নির্মাণে দুযোর্গকালীন নারীদের স্বাস্থ সুরক্ষায় সময় উপযোগী বিভিন্ন পদক্ষেপ বা উদ্যোগ নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরী। ওয়েভ ফাউন্ডেশন-এর নির্বাহী পরিচালক মহসিন আলী সভাপতির বক্তব্যে বলেন, দুর্যোগকালে নারীরা যেমন নাজুক অবস্থায় থাকে তেমনি শিশুরাও। উভয়কেই আমাদের গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, একে অস্বীকার করার কোন সুযোগ নেই। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি, শিল্প. খাদ্য নিরাপত্তাসহ আমাদের সামগ্রিক জীবন ব্যবস্থা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে। একটা বিপুল সংখ্যক মানুষ স্থানান্তরিত হচ্ছে। এ সকল দিক বিবেচনায় জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবেলায় আমাদের সকল পক্ষকে একত্রে সম্মিলিতভাবে কাজ করে যেতে হবে। এছাড়া সভায় কনসোর্টিয়াম পার্টনার, লোকমোর্চা প্রতিনিধি, সংশ্লিষ্ট সংগঠন প্রতিনিধি, যুব ও গণমাধ্যম প্রতিনিধিসহ উপ¯ি’ত অন্যান্য বক্তারা রাষ্ট্রীয় সেবাখাতে পিছিয়ে পড়া নারীর অন্তর্ভুক্তিসহ সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার, জলবায়ু সহনশীল কৃষিতে গুরুত্বারোপ, স্থানীয় সরকারের স্ট্যান্ডিং কমিটিগুলোতে নারীদের ভূমিকা আরও জোরদারকরণ, কমিটিগুলোর মধ্যে যথাযথ সমন্বয় এবং বিভিন্ন ধরণের জলবায়ু অভিঘাত মোকাবেলায় পর্যাপ্ত অর্খায়নের কথা বলেন। গবেষণার সার-সংক্ষেপ উপ¯’স্থাপনকালে ড. আব্দুল ওহাব বলেন, উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস ও লবণাক্ততার কারণে রোগব্যাধি (৮০.৫৪%), আয়ের ক্ষতি (৮৫.৪১%) এবং অবকাঠামোগত ক্ষতি (৮৩.৭৮%) অত্যন্ত বেশি। খরা অঞ্চলে রোগ (৫৮.৬৮%) ও আয়ের ক্ষতি (৬৯.৪২%) তুলনামূলকভাবে কম। কিন্তু‘ এর মধ্যে ঝড়ের ক্ষতি (৭৪.৩৮%) উল্ল্যেখযোগ্য। উভয় অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, খরা ও ফসলহানির কারণে ক্ষতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। গবেষণায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে নারীদের দুর্ভোগের মাত্রা যাচাইয়ে দেখা যায় যে, উপকূলীয় এলাকায় ২৬.৪৯% উত্তরদাতা আশ্রয়ের অনিরাপত্তা, পানির সংকট ও চলাচলে বাধার মতো দুর্ভোগ বিবেচনায় নারীকে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত হয়। খরা অঞ্চলে এ হার ২৩.১৪%। যদিও ৫২.০৭% মত দিয়েছেন যে, নারী ও পুরুষ উভয়েই সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। নারীরা বিশেষত উপকূলে বেশি জেন্ডারভিত্তিক বৈষম্যের শিকার হন। প্রতিবেদনে আরও দেখা যায়, উপকূলে স্বল্পমেয়াদি প্র¯‘তি হিসেবে ঘর মজবুত করা (৭৪.০৫%) এবং খাবার/পানি মজুত করা (৬৭.৫৭%) দেখা যায়। অন্যদিকে, ৫৬.২২% দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য মজুত করে থাকে। খরা অঞ্চলের মানুষ খরা ও জলবায়ু সৃষ্ট আঘাত মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদী অভিযোজন কৌশল, যেমন: খাবার সংরক্ষণ (৮৯.২৬%), নতুন কৃষি প্রযুক্তি (৭২.৭৩%), মৌসুমি অভিবাসন (৮৯.২৬%) এর মাধ্যমে সহিষ্ণুতা প্রদর্শন করছে। গবেষণায় নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং অংশগ্রহণে প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে দেখা যায়, সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর অংশগ্রহণ সীমিত যা উপকূল অঞ্চলে ২৪% খরা অঞ্চলে ৩০%। উপকূলে সামাজিক রীতিনীতি ও নিরাপত্তা বিবেচনায় বিধিনিষেধ বেশি। অপরদিকে, খরা অঞ্চলে কৃষিকাজে সম্পৃক্ততার কারণে নারীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণে কিছুটা বেশি ভূমিকা রাখতে পারেন। উপকূলীয় অঞ্চলের তুলনায় খরা অঞ্চলে সামাজিক নিয়মকানুন (৮০.১৭%), শিক্ষার অভাব (৭৮.৫১%), গৃহস্থালির কাজের চাপ (৬৯.৪২%) এসব কারণে নারীরা বেশি মাত্রায় বাধার সম্মুখীন হন। উপকূলীয় অঞ্চলে আর্থিক সীমাবদ্ধতা (৫৪.৫৯%) প্রধান বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। খরা অঞ্চলের নারীরা দুর্যোগ ব্যব¯’াপনা বিষয়ক ভূমিকার ক্ষেত্রে অংশগ্রহণে বেশি বৈষম্য ও বঞ্চনার মুখোমুখি হন। অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, উভয় অঞ্চলে ¯’ানীয় সরকারের সহায়তা বেশি থাকে। এক্ষেত্রে খরা অঞ্চলে (৮০.১৭%) ও উপকূলে (৭২.৪৩%)। এনজিও সহায়তা খরা অঞ্চলে (৬১.১৬%) বেশি, উপকূলে (৫১.৩৫%) কম। একইসাথে, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও ব্যক্তি পর্যায়ের সহায়তাও খরা অঞ্চলে বেশি। এতে করে বলা যায়, খরা অঞ্চল বহুমুখী সহায়তার ওপর বেশি নির্ভরশীল। প্রবন্ধে জলবায়ু শাসনব্যবস্থা জেন্ডার সমতা নিশ্চিতে স্বল্পমেয়াদী, মধ্যমেয়াদী ও দীর্ঘমেয়াদী বেশকিছু সুপারিশ তুলে ধরা হয়। উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ হলো: নিরাপদ পানির সহজ প্রাপ্তি ও আশ্রয়কেন্দ্র মেরামত করা জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের নগদ আর্থিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ, সরঞ্জাম প্রদান; ইউনিয়ন পরিষদের জলবায়ু তহবিলের স্বচ্ছ বণ্টন নিশ্চিত করা সমন্বিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ পরিকল্পনা প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ সকল জলবায়ু প্রকল্পে জেন্ডার-দায়বদ্ধ বাজেট নিশ্চিত করা; যুবদের নেতৃত্বে পরিচালিত জলবায়ু সচেতনতা কার্যক্রম শক্তিশালী করা জাতীয় নীতিতে নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করায় জেন্ডার-দায়বদ্ধ জলবায়ু শাসন প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি অভিযোজন তহবিল সংগ্রহ করা উপকূল ও খরা অঞ্চলে কাঠামোগত ক্ষতি হ্রাস করতে জলবায়ু সংবেদনশীল জীবিকায় বৈচিত্র্য আনা ইত্যাদি।
সর্বশেষ
জলবায়ু সুশাসন প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট নীতি প্রণয়ন ও কার্যক্রমে নারীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে
DCV Desk প্রকাশিত: 11 Dec, 2025 5:26 PM


