সর্বশেষ

জাতীয় পর্যায়ে কাপ-আপ প্রকল্পের শিখন বিস্তরণ ও প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান

DCV Desk

জাতীয় পর্যায়ে কাপ-আপ প্রকল্পের শিখন বিস্তরণ ও প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠান ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মাদক ও বাল্যবিবাহ নিয়ে এসব সাধারণ শিক্ষার্থীরা যা ভাবছে তাতে একজনও যদি সচেতন হয় তাহলে তার মাধ্যমে সমাজে ১০ জন সচেতন হবে, আর ১০ জন সচেতন হলে তা ১০০ জনে উন্নীত হবে।
বক্তারা শিক্ষার্থীদের নিয়ে আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতে একটা আইডেন্টিটি নাম্বার হবে। ৬ষ্ঠ বা ৯ম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশনের সময় সঠিকভাবে নিবন্ধন করবে যেন ভবিষ্যতে রাষ্ট্র থেকে যেকোনো ধরনের সুবিধা প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি না হয়।
শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, শত প্রতিকুলতার মধ্যে  যেসকল শিক্ষকগণ তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে তারা প্রশংসার দাবিদার। এধরনের শিক্ষক দেশে বেশি প্রয়োজন।
দেশের ১৮-৩৫ বছর বয়সী প্রায় ৩৫% জনসংখ্যাকে যদি সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায় তাহলে দেশ সিঙ্গাপুর কিংবা মালয়েশিয়াকে ছাড়িয়ে যাবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. মজিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তানিয়া খান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল মজিদ ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সহ-সভাপতি (কর্মসূচি) ড. এস এম খলিলুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা ও টিভিইটি সেক্টরের প্রকল্প পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের শিক্ষা সেক্টরের কো-অর্ডিনেটর-মনিটরিং এন্ড ইভ্যালুয়েশন শেখ শফিকুর রহমান। উন্মুক্ত আলোচনা সঞ্চালনা করেন কাপ-আপ প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক সৈয়দ নজরুল ইসলাম। সমাপনী বক্তব্য রাখেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক জাহিদুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর. ড. গোলাম রহমান।
উল্লেখ্য, বিদ্যালয় বর্হিভূত ও ঝরেপড়া শিক্ষার্থী এবং ভৌগলিকভাবে পিছিয়ে পড়া শিশুদের জন্যই ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন বাস্তবায়ন করছে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম। মিশনের শিক্ষা সেক্টরের মাধ্যমে শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ কার্যক্রম, প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষা ও নিন্ম-মাধ্যমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করছে। কাপ-আপ প্রকল্পটি জুলাই ২০২০ সাল থেকে শুরু হয়ে ডিসেম্বর ২০২৫ এ শেষ হতে যাচ্ছে। এসময়ে প্রকল্পটি প্রাথমিক লক্ষ্যগুলো অর্জনের পথে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে এবং ২৯,৭৫৬ জন স্কুল বহির্ভুত শিক্ষার্থীকে শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। দাতা সংস্থা ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের কাজের ভুয়সী প্রশংসা করে প্রকল্পটি আরও ৫ বছর বৃদ্ধি করার ব্যাপারে সিন্ধান্ত নিয়েছে যা আগামী জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০৩০ সাল পর্যন্ত চলবে।

spot_img
spot_img

সর্বশেষ

সময়ের সেরা