সর্বশেষ

জয়পুরহাটে জামায়াতের ইউনিট সভাপতি সম্মেলনে- বিরোধী দলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে জড়িত ছিল

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারি সেক্রেটারী জেনারেল ও বিরোধী দলীয় হুইপ রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ পাওয়ার পর মানুষের প্রত্যাশা ছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধিনে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু আমরা এটাও প্রত্যক্ষ করেছি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনেক উপদেষ্টাই নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন। অনেকেই দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করেছেন। আমরা তাদের এই ভূমিকাকে ধিক্কার জানাই।

শনিবার বিকেলে জয়পুরহাট পৌর কমিউনিটি সেন্টারে জেলা জামায়াত আয়োজিত ইউনিট সভাপতি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ১২ তারিখের নির্বাচন কিভাবে হয়েছে তা জনগণ দেখেছে। অন্তর্বতীকালীন সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দ রিজওয়ানা হাসান নিজেই বলেছেন আমরা জামায়াতকে ক্ষমতায় আসতে দেইনি। আর একজন উপদেষ্টা নির্বাচনের পর দলীয় মন্ত্রী হয়েছেন। এতে বোঝা যায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাথে জড়িত ছিল। জামায়াত কেন এই নির্বাচন মেনে নিল এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মেনে না নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে জাতিকে বের করে আনতে চায় জামায়াত।

বিরোধী দলীয় হুইপ বলেন, সংস্কারের কথা বলে তারা আজ ভুলে গেছে। ৭০ ভাগ মানুষ গণভোটের হ্যাঁ এর পক্ষে রায় দিয়েছে এবং তাদের ৩১ দফাতেও সংস্কারের কথা বলা ছিল। সেখানে মৌলিক সংস্কার করা হয়েছে সেটাও তারা মানেনা। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, দুর্নীতি দম কমিশনসহ কোন সংস্কার প্রস্তাবই তারা মানেনা। সরকারের শুভ বুদ্ধির উদয় হবে, দেশের মানুষের গণভোটের রায় মেনে নেবে এবং সংস্কার করবে, এবং সেই সাথে সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়ে জাতির কাছে দেওয়া প্রতিশ্রতি বাস্তবায়ন করে তারা দেশের মানুষের রায়ের পক্ষে থাকবেন বলে আশা করছি। জনগণের রায়কে সরকার মেনে না নিলে আন্দোলন চলমান থাকবে, ১১ দলীয় জোটের সংসদে এবং সংসদের বাহিরে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন চলমান থাকবে।

জয়পুরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমীর ফজলুর রহমান সাঈদের সভাপতিত্বে এসময় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া মন্ডল, সহকারী সেক্রেটারি এ্যাড.মামুনুর রশীদ ও এসএম রাশেদুল আলম সবুজ, জেলা বায়তুল মাল সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল খালেক, অফিস সেক্রেটারী মাওলানা আনোয়ার হোসেন, আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের জেলা সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, জয়পুরহাট শহর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা সাঈদুর রহমান, পাঁচবিবি উপজেলা জামায়াতের আমীর সুজাউল করিম, কালাই উপজেলা আমীর মুনসুর রহমান, ক্ষেতলাল উপজেলা আমীর মাওলানা আমিনুল ইসলাম, আক্কেলপুর উপজেলা আমীর শফিউল হাসান দিপু, জামায়াত নেতা ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বাতেনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে ২৫টি ইউনিয়ন পরিষদের জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করা হয়।

spot_img
spot_img

সর্বশেষ

সময়ের সেরা