সর্বশেষ

বুধবার মধ্যরাতেই চট্টগ্রাম কক্সবাজার সহ ১১ জেলায় ৮৫ কি.মি. বেগে বজ্রবৃষ্টি ও ঝড়ের শঙ্কা

এস এম আকাশ: 

বাংলা বর্ষের শুরু বৈশাখ মাস দিয়ে হলেও বৃষ্টি ও কালবৈশাখী ঝড়ে প্রকৃতির এক বিরাট পরিবর্তন সৃজিত হয় ছয় ঋতুর এই বাংলাদেশে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রকৃতি তার নিজস্ব রূপ দেখিয়েছে উপকূলীয় অঞ্চল গুলোতে। গত কয়েকদিনে ব্যাপকভাবে তান্ডব চালিয়েছে দেশের বেশিরভাগ বিভাগীয় জেলা শহরে। হয়েছে কালবৈশাখী ঝড়ও। এখনও কাটেনি তার শঙ্কা। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে তীব্র গরম কমে জনজীবনে ফিরেছে স্বস্তিও।

গেলো ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ ১৬৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। তবে এখনও ৩৩ ডিগ্রির ঘরে বিরাজ করছে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এই অবস্থায় বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাতের মধ্যেই দেশের ১১ জেলায় ঘণ্টায় ৬৬ থেকে ৮৫ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে ধারণা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এদিকে আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম জানিয়েছেন, বুধবার রাত ১টার মধ্যে বা তার আশপাশ সময়ে দেশের রংপুর, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেটের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬৫থেকে ৮৫ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ী ভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দর গুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অপর দিকে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস
জানিয়েছেন, উল্লেখিত সময়ে দেশের অন্যত্র পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৮ থেকে ৬৮ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ী ভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কিশোরগঞ্জের নিকলিতে দেশের সর্বোচ্চ ১৬০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে ঢাকা আবহাওয়া অধিদফতর। পাশাপাশি এই সময়ে ভোলায় ১৫১ মিলিমিটার ছাড়াও ফেনীতে ১৪৮, ময়মনসিংহে ১১৫, পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ১১৪, কুমিল্লায় ১০৩ মিলিমিটারসহ দেশের অধিকাংশ জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে বৃষ্টিপাতে প্রবণতা কমে তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

অপরদিকে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের অবস্থা করুন আকার ধারণ করেছে। গত দুই দিনে নগরীর প্রায় সবকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে আবাসিক বাসা বাড়ি থেকে শুরু করে স্কুল কলেজ ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান দোকান পাটে পানি ঢুকে ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। নগরবাসীর জন দুর্ভোগ চোখে পড়ার মতো দৃশ্যমান। এ নিয়ে বুধবার সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রামবাসীর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

spot_img
spot_img

সর্বশেষ

সময়ের সেরা