২৩ জুন ২০২৫ রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের প্রধান কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা সেক্টরের কাপ-আপ প্রকল্পের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনজিও এফেয়ার্স ব্যুারো’র মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. দাউদ মিয়া, এনডিসি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইএসডিবি’র কারিন্ট্র কো-অর্ডিনেটর মো. আরিফ সাহিদ, বাংলাদেশ ওপেন ইউনির্ভাসিটি’র প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য প্রফেসর ড. এম শমশের আলী, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. মোহাম্মদ খলিলুল্লাহ, ড. এস.এম খলিলুর রহমান, ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী পরিচালক সাজেদুল কাইয়ুম দুলাল। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি প্রফেসর ড. গোলাম রহমান। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের শিক্ষা ও টিভিইটি সেক্টরের যুগ্ন পরিচালক মো. মনিরুজ্জামান শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।
কাপ-আপ প্রকল্পের বার্ষিক অগ্রগতির পর্যালোচনা-২০২৫ পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন কো-অর্ডিনেটর-মনিটরিং এন্ড ইভ্যালুয়েশন শেখ শফিকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে এনজিও এফেয়ার্স ব্যুারো’র মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. দাউদ মিয়া, এনডিসি বলেন, ভিক্ষুকমুক্ত দেশ চাই, বস্তিমুক্ত দেশ চাই, সামনে চ্যালেঞ্জ আসবে, ইউএসএআইডি আমাদের ডোনেট করছে না, অন্যান্য দাতা সংস্থাও হয়তো কমে যাবে তাই স্থানীয়ভাবে কীভাবে ফান্ড তৈরি করা যায় সেদিকে নজর দিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আপনারা ড্রপ-আউটদের নিয়ে কাজ করছেন তার মধ্য থেকে ড্রপ-আউট হচ্ছে তার মানে ড্রপ-আউট থেকে আমরা বের হতে পারছিনা। দুর্যোগরে কারণে এক স্থান থেকে অন্যস্থানে চলে যাচ্ছে তাদের টার্গেট করে কাজ করতে হবে। আমাদের ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর দিকে নজর দিতে হবে।
ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সভাপতি প্রফেসর ড. গোলাম রহমান বলেন, ভাল মানুষ না হলে শিক্ষা কোন কাজে আসবে না। ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের মূলমন্ত্র আহ্ছানিয়া মিশনের কর্মীদের অনুধাবন করে কাজ করতে হবে।
বাংলাদেশ ওপেন ইউনির্ভাসিটি’র প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য প্রফেসর ড. এম শমশের আলী বলেন, সরকার অনেক সংস্কার করছে কিন্তু শিক্ষার সংস্কার করেনি। যত সংস্কার করুক না কেন মানুষ তৈরি না হলে এ দেশ কখনো ঠিক হবে না। মরাল এন্ড এথিক্স এডুকেশন পরীক্ষায় থাকুক আর না থাকুক এখান থেকে শিক্ষা দিবে, যে বের হবে তার থাকবে।
এছাড়াও সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের নির্বাহী কমিটির জয়েন্ট সেক্রেটারি মো. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, নির্বাহী কমিটির সদস্য ড. এম. এহ্ছানুর রহমান, মো. আব্দুস সালাম ফারুক, মো. আবু মাসুদ, এবং কাপ আইএসডিবি-এর প্রজেক্ট স্পেশালিস্ট মো. মনজুর মুর্শিদসহ দেশি ও বিদেশি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।
উল্লেখ্য, King Abdullah Humanitarian Foundation (KAHF) এর আর্থিক সহায়তায় এবং KAAP-IsDB এর কারিগরি সহায়তায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন কাপ-আপ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। কাপ-আপ প্রকল্পটির মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের তিনটি কম্পোনেন্ট প্রাক-প্রাথমিক-৭৫টি, প্রাথমিক-৭৫টি এবং জুনিয়র সেকেন্ডারি শিক্ষা-৪৫টিসহ মোট ১৯৫টি শিশু শিখন কেন্দ্রেরের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদান করছে। ঢাকা জেলার মিরপুর ও মোহাম্মদপুর এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর তিনটি এলাকায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি পাঁচ (জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত) বছরের মধ্যে ২৯,৭৫৬ শিশুকে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা (NFE) প্রদান করছে। সভায় শিক্ষার্থী ও কমিউনিটির অংশীজনরা এ প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য অনুরোধ জানান।
সর্বশেষ
কাপ-আপ প্রকল্পের বার্ষিক অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: 23 Jun, 2025 5:15 PM


