সর্বশেষ

চট্টগ্রামে ঈদে আজম উপলক্ষে ওয়ার্ল্ড সুন্নী মুভমেন্টের জশনে জুলুস

এস এম আরজু, চট্টগ্রাম:

দয়াময় আল্লাহতায়ালার পরম রহমত হিসেবে সমগ্র মানবমণ্ডলীর দোজাহানের সর্বকল্যাণ ও মুক্তির দিশারী মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুভাগমন উপলক্ষে ঈদে আজম উদযাপন করেছে ওয়ার্ল্ড সুন্নী মুভমেন্ট ও ওয়ার্ল্ড হিউম্যানিটি রেভুলুশন।

শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পুরাতন রেলওয়ে স্টেশন থেকে একটি জশনে জুলুস বের হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে লালদিঘী মাঠে আলোচনা সভা, সালাতু সালাম ও বিশেষ মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হয়।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা ইমাম হায়াতের নির্দেশনায় আয়োজিত এ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা আল্লামা আরেফ সারতাজ। এতে শতাধিক পীর-মাশায়েখ, আলেম-ওলামা, গবেষক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও চিন্তাবিদসহ বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দয়াময় আল্লাহতাআলার সর্বোচ্চ রহমতের নিদর্শন হিসেবে মহানবীর আগমন মানবতার জন্য সত্যের আলো ও মুক্তির উৎস। তাই এ দিনই প্রকৃত অর্থে সর্বোচ্চ ঈদ ঈদে আজম।

তাঁরা আরও বলেন, মহানবী মুহাম্মদ (সা.) স্রষ্টার আলো, অনুগ্রহ ও মানবতার সর্বোচ্চ কল্যাণের উৎস। তাঁর দিশা ব্যতীত মানবজীবন, সমাজ ও রাষ্ট্র কোনোভাবেই ন্যায়, শান্তি ও নৈতিকতার পথে টিকে থাকতে পারে না। রাসুলের দিশা ছাড়া পৃথিবী অবিচার, শোষণ, সন্ত্রাস, স্বৈরতা ও ধ্বংসযজ্ঞে রূপ নেয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, মানবতার সুরক্ষা, স্বাধীনতা ও কল্যাণের স্বার্থে সকলকে অবশ্যই প্রিয়নবী (সা.) কেন্দ্রিক হতে হবে। প্রিয়নবীর প্রদত্ত মানবতার রাষ্ট্র ও খিলাফতে ইনসানিয়াত প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই নিপীড়িত মানবতাকে রক্ষা করা সম্ভব।

বক্তারা ঈদে আজম উপলক্ষে সত্য ও মানবতার উৎস নবীজির শিক্ষা ধারণ করে ঈমানী জীবন, মানবতার রাষ্ট্র ও খিলাফতে ইনসানিয়াত প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান।

spot_img
spot_img

সর্বশেষ

সময়ের সেরা