কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলি বিমান বাহিনী আকস্মিক হামলা চালিয়েছে। মূল লক্ষ্য ছিল হামাসের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। এ ঘটনায় ৫ জন হামাস সদস্য ও একজন কাতারি নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আলোচনাকারী প্রতিনিধি খেলিল আল-হায়্যার পুত্রও রয়েছেন। তবে হামাস জানিয়েছে, তাদের শীর্ষ নেতারা অক্ষত রয়েছেন এবং আলোচনায় জড়িত সদস্যরা প্রাণে বেঁচে গেছেন।
ইসরায়েল বলেছে, এটি ছিল একটি “নির্ভুল ও বিশেষ লক্ষ্যভিত্তিক” অভিযান। তাদের দাবি, হামাসের রাজনৈতিক ও আলোচনাকারী নেতৃত্বকে দুর্বল করাই এর উদ্দেশ্য। হামলার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে মৌখিকভাবে অবহিত করা হয়েছিল, যদিও আন্তর্জাতিক মহল বা কাতারকে কোনো আনুষ্ঠানিক নোটিশ দেওয়া হয়নি। কাতার ঘটনাটিকে “cowardly act” আখ্যা দিয়ে কাতারের সার্বভৌমত্বের চরম লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানায়।
দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে গাজায় সংঘাত অব্যাহত। এ সময় কাতার শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছিল। বিশ্লেষকদের মতে, দোহায় এই হামলা কেবল শান্তিচুক্তির সম্ভাবনাকে বিপর্যস্ত করেনি, বরং আঞ্চলিক উত্তেজনাও নতুন মাত্রায় বাড়িয়েছে।


