আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে প্রার্থী হতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেছেন রিদুয়ান হৃদয়।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) রাজধানীতে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। পরে তিনি স্থানীয় পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন।
মনোনয়ন নেওয়ার পর রিদুয়ান হৃদয় বলেন, “বঙ্গোপসাগরের পাশ ঘেঁষা একটি অবহেলিত অঞ্চল আনোয়ারা-কর্ণফুলী। গত ১৫ বছর ধরে স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে এখানকার মানুষের প্রত্যাশা ও ভোগান্তি খুব কাছ থেকে দেখেছি। জনগণের উন্নয়ন ও সেবাই হবে আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য। মানুষের সেবা করতে পারলেই সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন।”
৫ আগস্টের পর থেকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা-কর্ণফুলীতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সাম্প্রতিক সময়ে সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে বিএনপি, জামায়াত, বৃহত্তর সুন্নী ঐক্যজোটসহ বিভিন্ন দল ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এই প্রেক্ষাপটে এনসিপি থেকে রিদুয়ান হৃদয়ের মনোনয়ন নেওয়া স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
কর্ণফুলী উপজেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী সানাউল্লাহ মির্জা বলেন, “রাজনৈতিক পুরনো বন্দোবস্তকে কবর দিতেই জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থান। এর পর মানুষের আকাঙ্খা ছিল একজন ক্লিন ইমেজের নেতা পাওয়া, যার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি কিংবা মামলা বাণিজ্যের অভিযোগ থাকবে না। আমি মনে করি আনোয়ারা-কর্ণফুলীবাসী যোগ্য একজন নেতাকে পেতে যাচ্ছে, যিনি মানুষের জন্য কাজ করবেন।”
আনোয়ারা উপজেলা এনসিপির যুগ্ম-সমন্বয়কারী কাজী জাবের বলেন, “আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই, যিনি গণমানুষের জন্য কাজ করবেন এবং আনোয়ারাবাসীর অধিকার আদায়ে লড়াই করবেন।”


