চট্টগ্রামের রাউজানে একটি বিদেশি পিস্তল ও একটি দেশীয় এলজি এবং কয়েক রাউন্ড গুলি, কার্তুজসহ এক যুবদল নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে তার এক সহযোগীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (৫ মার্চ) দিবাগত রাত ২ টার দিকে রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের গরীবুল্লা পাড়ার একটি বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জানা গেছে, গ্রেপ্তার দু’জন রাউজানে প্রকাশ্যে দিবালোকে গুলি করে ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম হত্যা মামলার সন্দেহজনক আসামি।
গ্রেপ্তাররা হলেন- ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা আরাফাত মামুন এবং বিপ্লব বড়ুয়া।
পুলিশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
এই সময় তাদের কাছে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি দেশীয় এলজি ও রাউন্ড গুলি এবং ২ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, আরাফাত মামুন এলাকায় যুবদলের নেতা হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দলের প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের ওপর গুলি-হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত ৭টি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে বিপ্লব বড়ুয়া একই দলের রাজনীতিতে সক্রিয়। আরাফাত মামুনের অন্যতম সহযোগী হিসেবে এলাকায় তার পরিচিতি রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের আসাদ আলী মাতব্বর পাড়ায় জুমার নামাজ আদায় করে বাবা-মায়ের করব জিয়ারত করতে আসার পথে চাকতাইয়ের শুটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হয়। নিহতের ছেলে মো. মাকসুদ আলম বাদী হয়ে ২৫-৩০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন। এর আগে এই মামলায় রমজান আলী ও গিয়াস উদ্দিন নামের দুই জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। যদিও এখনও এই হত্যাকাণ্ডের কোনো রহস্য উদঘাটন হয়নি।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, দুজনের কাছ থেকে অস্ত্র পাওয়া গেছে। থানার হেফাজতে আছে তারা। দুজনকে নিয়ে অভিযান চলছে। জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে বিস্তারিত জানানো হবে।
চট্টগ্রাম পুলিশ সুপার কার্যালয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) রাসেল বলেন, দুইজনকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। তাদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত পরে বলতে পারব।


