সর্বশেষ

বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সাহিত্য সংঘর্ষ নয়, সংযোগ

বিজ্ঞানের এই যুগে মানুষ প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে প্রতিনিয়ত এগিয়ে চলেছে। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য প্রযুক্তির রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। সাহিত্যও এর বাইরে নয় বরং প্রযুক্তির অগ্রযাত্রায় সাহিত্য নতুন রূপ ও গতি পেয়েছে।

পূর্বে লেখকের সৃষ্টিশীল কর্ম বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ থাকত, যা সবার কাছে পৌঁছানো সম্ভব হতো না। কিন্তু বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ইন্টারনেট, ফেসবুক, ইউটিউব সাহিত্যের বিস্তারকে সহজ করে তুলেছে। এখন পাঠক মাত্র একটি ক্লিকেই সাহিত্যকর্ম উপভোগ করতে পারে।

তবে কিছু মানুষের ধারণা, প্রযুক্তির এই যুগে সাহিত্য উন্নত জীবনের নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনের অন্তরায় হতে পারে। তারা মনে করেন, সাহিত্য পাঠ যদিও আত্মতৃপ্তি দেয়, তা প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে সরাসরি অবদান রাখে না।

বাস্তবে, সাহিত্য মানুষের মনে সৃজনশীলতা ও আত্মতৃপ্তি সৃষ্টি করে, আর এই সৃজনশীলতাই প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও জীবনের মানোন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই সাহিত্য ও প্রযুক্তিকে সংঘর্ষ নয়, বরং পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে দেখা উচিত যেখানে সাহিত্য মানবিক চেতনাকে লালন করে, আর প্রযুক্তি সেই চেতনাকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগের পথ খুলে দেয়।

লেখক: হাসান মিয়া,                                      শিক্ষার্থী, ঢাকা, কলেজ।

spot_img
spot_img

সর্বশেষ

সময়ের সেরা