নিউজ ডেস্ক : বলিউডের ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’ খ্যাত আমির খান দীর্ঘ এক বছরের বিরতি ভেঙে আবারো পর্দায় ফিরেছেন। তার অভিনীত ও প্রযোজিত নতুন সিনেমা ‘সিতারে জমিন পার’ ২০ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। এ সিনেমা দিয়েই তার ভক্তদের উপহার দিলেন এক নতুন অভিজ্ঞতা, যা ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জনপ্রিয় সিনেমা ‘তারে জমিন পার’ এর সিক্যুয়েল।
পরিচালনায় রয়েছেন আর. এস. প্রসন্ন, আর আমির খানের সঙ্গে সহ-অভিনেত্রী হিসেবে রয়েছেন জেনেলিয়া ডিসুজা। সিনেমাটিতে নতুন ১০ জন মুখকে অভিনয়ের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যারা হলেন, আরৌশ দত্ত, গোপী কৃষ্ণ ভার্মা, সাম্বিত দেশাই, বেদান্ত শর্মা, আয়ুষ বানসালি, আশীষ পেন্ডসে, ঋষি সাহানি, ঋষভ জৈন, নমন মিশ্র ও সিমরান মঙ্গেশকর।
প্রথম ৪ দিনের আয়:
প্রথম দিন: ১০.৬ কোটি রুপি (নিট)
দ্বিতীয় দিন: ২০ কোটি রুপি (নিট)
তৃতীয় দিন: ২৭ কোটি রুপি (নিট)
চতুর্থ দিন: ৮.৭৯ কোটি রুপি (নিট)
মোট আয় (বিশ্বব্যাপী): ৯৫.৭৫ কোটি রুপি (গ্রস)
বাংলাদেশি মুদ্রায়: প্রায় ১৩৪ কোটি ১৮ লাখ টাকা
চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, সিনেমাটি মুক্তির প্রথম দিনেই ভারতের অন্যান্য বলিউড সিনেমাগুলোর মধ্যে ৬ষ্ঠ সর্বোচ্চ আয়কারী সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। তবে রিভিউ নিয়ে দর্শক ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। এনডিটিভি ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সিনেমাটিকে ৩.৫/৫ রেটিং দিয়েছে।
এই সিনেমার নির্মাণ ব্যয় ছিল ৯০ কোটি রুপি। এতে অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনাও করেছেন আমির খান। শিশুবান্ধব এবং আবেগনির্ভর গল্প নিয়ে নির্মিত এ সিনেমা সামাজিক বার্তা বহন করছে বলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন।
সিনেমাটি চলতি বছরের অন্যতম আলোচিত প্রজেক্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, সামনের দিনগুলোতে সিনেমার আয় আরও বাড়বে।
দীর্ঘ বিরতির পর আমির খানের প্রত্যাবর্তন ভক্তদের জন্য এক বিশেষ মুহূর্ত। ‘সিতারে জমিন পার’ সিনেমা প্রমাণ করেছে, আমির এখনও বলিউডে তার প্রভাব বজায় রেখেছেন। এখন দেখা যাক, সিনেমাটি আগামী সপ্তাহগুলোতে বক্স অফিসে কী সাফল্য বয়ে আনে।


